মেনু নির্বাচন করুন

চিত্র 1

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার । বর্তমান বিশ্বের রাজনৈতিক রোল মডেল  এবং উন্নয়নের প্রতীক ।

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা
জন্ম ঃ ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিকুর রহমান ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রথম সন্তান বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনা জন্মগ্রহণ করেন। দাদা শেখ লুৎফর রহমান এবং দাদী সায়েরা খাতুন।
শৈশব ঃ রাজনৈতিক কারনে জেল-জুলুম-হুলিয়া ছিল পিতা বঙ্গবন্ধুর নিত্য সহচর। ফলে পিতার সান্নিধ্য কম পেলেও বাইগার নদীর তীরে টুঙ্গীপাড়ায় গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের মাঝেই কেটেছে তাঁর শৈশব কৈশোর।
ঢাকার জীবন ঃ ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তাঁর পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। পরিবারের সঙ্গে শেখ হাসিনা প্রথমে পুরনো ঢাকায় মোগলটুলির রজনী বোস লেনের একটি বাসায় থাকতেন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হলে ৩ নম্বর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে থাকেন।
৩২ নম্বরের বাড়ি ঃ ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের ঐতিহাসিক বাড়িটিতে বঙ্গবন্ধুর পরিবার স্থানান্তরিত হয়। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারবর্গ মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এই বাড়িতেই অবস্থান করেন।
শিক্ষা জীবন ঃ শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু টুঙ্গীপাড়ার এক পাঠশালায়। পরবর্তীতে ঢাকায় ১৯৫৬ সালে তিনি ভর্তি হন টিকাটুলির নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে। ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৭ সালে ঢাকার বকশী বাজারে পূর্বতন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ (বর্তমানে বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে সে বছরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।
রাজনীতির পাঠশালায় ঃ রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করায় কিশোর বয়স থেকেই তাঁর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা ছিল। স্কুল ও কলেজ জীবনে ছাত্রলীগের নেত্রী হিসাবে তিনি আইয়ুব-বিরোধী আন্দোলন এবং ৬ দফা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি কলেজ ছাত্রী সংসদের সহ-সভানেত্রী পদে নির্বাচিত হন। ১১-দফা আন্দোলন,’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান শুরু হলে শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ নেত্রী হিসেবে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
বিয়ে ঃ ৬ দফা দাবীতে গণজাগরণ সৃষ্টি হলে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়। শুরু হয় দমন-পীড়ন। এই উত্তাল ঝড়ো সময়ে ১৯৬৮ সালে কারাবন্দি পিতা বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সাথে শেখ হাসিনার বিয়ে হয়।
বন্দি জীবন ঃ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে পাকহানাদার বাহিনী গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারকে ঢাকায় গৃহবন্দি করে রাখা হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই শেখ হাসিনা গৃহবন্দি অবস্থায় তাঁর প্রথম সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় জন্মলাভ করে।
স্বাধীনতা-উত্তরকালে শিক্ষা জীবন ঃ অসমাপ্ত শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করার জন্য স্বাধীনতা-উত্তরকালে শেখ হাসিনা ইডেন কলেজে নিয়মিত ছাত্রী হিসেবে ভর্তি হন। ১৯৭৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. ডিগ্রী লাভ করেন।
কন্যা সন্তান লাভ ঃ ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল-এর জন্ম হয়।
১৫ আগস্টের কালরাত্রি ঃ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে ঘাতকরা সপরিবারে হত্যা করে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এর কিছুদিন আগে ছোটবোন শেখ রেহানা সহ শেখ হাসিনা তাঁর স্বামীর কর্মস্থল ইউরোপে যাবার ফলে অনিবার্য মৃত্যুর হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা। হারিয়েছেন ¯েœহময়ী মা, কনিষ্ঠ তিন ভাই শেখ কামাল, শেখ জামাল এবং শেখ রাসেল সহ অনেক নিকট আত্মীয়দের।
নির্বাসিত জীবন ঃ শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার দেশে ফিরে আসার কোন উপায় ছিল না। বঙ্গবন্ধুর খুনিরা তাদেরও খুঁজছিল। সামরিক জান্তা তাঁর দেশে ফেরার ওপর অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা জারী করলে বাধ্য হয়ে স্বামী-সন্তানসহ ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহণ করেন। দেশ তখন এক অন্ধকার যুগে। স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের বুটের তলায় পিষ্ট হয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ, পিষ্ট হয় পবিত্র সংবিধান, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার। হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্র আর মৃত্যুর মহোৎসব। মৃত্যুর বিভীষিকা নিয়ে শুরু হয় শেখ হাসিনার এক দুঃসহ নির্বাসিত জীবন। অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটে দীর্ঘ ছয়টি বছর।
আওয়ামী লীগের দায়িত্ব গ্রহণ ঃ নির্বাসিত জীবনে শেখ হাসিনা জাতির পিতার হত্যার বিচার, সামরিক শাসনের অবসান ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে ছুটে বেড়িয়েছেন দেশে দেশে আর নিবিড় যোগাযোগ রেখেছেন দেশের রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে। ১৯৮১ সালের ১৩-১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাঁকে দলের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঃ দেশের মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেবার প্রত্যয় নিয়ে সামরিক শাসকদের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।
গণতন্ত্রের সংগ্রাম ঃ এরপর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শুরু হয় গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে, মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে, জেল-জুলুমের পরোয়া না করে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন গণতন্ত্রের সংগ্রামে। অবশেষে অগণিত শহীদের আত্মদান এবং জনগণের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের ভেতর দিয়ে তাঁরই নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ একুশ বছরের দুঃশাসনের অবসান ঘটাতে সক্ষম হয়।
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ ঃ ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তাঁর সরকারের আমলেই ভারতের সাথে স্বাক্ষরিত হয় ঐতিহাসিক গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি। সম্পদিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি। বাংলাদেশ অর্জন করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা। প্রবৃদ্ধি ৬.৪ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতি নেমে আসে ১.৫৯ শতাংশে। দারিদ্র্য হ্রাস পায়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া সর্বোপরি উন্নয়নের ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম ঃ ২০০১ সালের ষড়যন্ত্র ও কারচুপির নির্বাচনের পর বিএনপি-জামাত জোট সরকার গঠন করে। এ সময় দমন-নিপীড়নের মাধ্যমে জোট সরকার সারাদেশে কায়েম করে ত্রাসের রাজত্ব। আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থক ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নেমে আসে ভয়াবহ নির্যাতন। আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার, সাবেক অর্থমন্ত্রী ও সাংসদ এএসএম কিবরিয়া সহ হত্যা করা হয় ২১ হাজার নেতা-কর্মীকে।
২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ঃ হাওয়া ভবনের নীলনকশায় ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সমাবেশে চালানো হয় পরিকল্পিত গ্রেনেড হামলা। গুরুতরভাবে আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান তিনি। তবে এই হামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমান সহ নিহত হয় ২৪ জন নেতা-কর্মী। চিরতরে পঙ্গু হয়ে যান অসংখ্য নেতা-কর্মী। বিএনপি-জামাতের প্রত্যক্ষ মদদে ধর্মীয় জঙ্গি ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর উত্থান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে পরিণত করা হয় মৃত্যু উপত্যকায়। এই অপশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান অকুতোভয় শেখ হাসিনা, রাজপথে নেমে আসে বাংলার আপামর মানুষ। ২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর বিএনপি-জামাত জোট সরকারের অপশাসনের অবসান ঘটে।
এক-এগারোর ষড়যন্ত্র ঃ নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন না করে সংবিধান লঙ্ঘন করে বিএনপি’র রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীন আহমেদ নিজেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ দখল করেন। হাওয়া ভবনের নির্দেশে চলতে থাকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নির্বাচনী প্রহসনের প্রস্তুতি। শেখ হাসিনা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলে শুরু হয় গণ-আন্দোলন। প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে ইয়াজউদ্দিন সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়। ঘোষিত হয় জরুরি অবস্থা, ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত হয় নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এরপর শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য শুরু হয় নতুন ষড়যন্ত্র। তথাকথিত সংস্কারের নামে সরিয়ে দেয়ার জন্য শুরু হয় নতুন ষড়যন্ত্র। তথাকথিত সংস্কারের নামে আওয়ামী লীগকে বিভক্ত করার চেষ্টা হয়। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে বন্দি করে রাখা হয়। দায়ের করা হয় একের পর এক মিথ্যা মামলা। এ সময় কারাগারে তাঁর প্রাণনাশের ষড়যন্ত্র চলে। তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবুও কোন ভয়ভীতি, প্রলোভনের কাছে মাথা নত করেননি শেখ হাসিনা। জনমতের প্রবল চাপে একপর্যায়ে পিছু হটে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বগ্রহণ ঃ ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট বিপুলভাবে জয়লাভ করে। এককভাবে আওয়ামী লীগই লাভ করে তিন-চতুর্থাংশের বেশি আসন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। গঠিত হয় মহাজোট সরকার। শুরু হয় রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের কাজ।
তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বগ্রহণ ঃ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জয়লাভ করে শেখ হাসিনা তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় মেয়াদে সাফল্য ঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশ আজ এক বিস্ময়ের নাম। দ্বিতীয় ও তৃতীয় মেয়াদে আমূল বদলে দিয়েছেন বাংলাদেশকে। তাঁর সুদক্ষ পরিচালনার ফলে সুশাসন, স্থিতিশীল অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নয়নে গতিশীলতা, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, খাদ্য নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এসেছে সফলতা। বিশ্ব অর্থনৈতিক উন্নয়নে শীর্ষ ৫ অবস্থানের রয়েছে বাংলাদেশ। ৫ কোটি মানুষ নি¤œ আয়ের থেকে মধ্যম আয়ের স্তরে উন্নীত হয়েছে। খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে শুধু খাদ্য উদ্বৃত্তই নয়, খাদ্য রপ্তানির দেশে পরিণত হয়েছে।
তাঁর শাসনামলে প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবেই ৬ শতাংশের উপর রয়েছে, মাথাপিছু আয় ১৩১৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে। মাথাপিছু ক্রয়ক্ষমতা বেড়ে হয়েছে ২০৮০ ডলার, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হয়েছে ১৩ বিলিয়ন ডলার। মানুষের গড় আয়ু বেড়ে হয়েছে ৬৯ বছর। করেছে শিশুমৃত্যুর হার। শতভাগ শিশু আজ স্কুলে যায়। বিদ্যুৎ উৎপাদান ক্ষমতা বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার ২ শত মেগাওয়াট আর বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে ৬৪ ভাগ মানুষ ১৩ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবাকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে মানুষের দোরগোড়ায়। সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে সাড়ে ৪ হাজার ডিজিটাল কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। গত অর্থ বছরে সাড়ে ৩ কোটি মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হয়েছে। ৬ বছরে ১৫৯ কোটি পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করে ১ লক্ষ ২০ হাজার শিক্ষকের চাকুরি জাতীয়করণ করা হয়েছে।
বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, আশ্রয়ন প্রকল্প, একটি বাড়ি একটি খামার, ঘরে ফেরা কার্যক্রম, দুঃস্থ ভাতাসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর কার্যক্রম প্রান্তিক জনগোষ্ঠিক মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনীদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক আগ্রহের ফলেই একাত্তরের নরঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে, বিচারের রায় কার্যকর হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরে সাড়ে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল জুড়ে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়িত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্মাননা ঃ একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ইতোমধ্যে শান্তি, গণতন্ত্র, দারিদ্র্য বিমোচন, উন্নয়নের জন্য বহু পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। তার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য-
সম্মানসূচক ডক্টর অব ল, ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান।
ডক্টর অব লিবারেল আর্টস, ডান্ডি অ্যাবার্তে বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান।
দেশিকোত্তম, বিশ্বভারতী, ভারত।
সম্মানসূচক ডক্টর অব ল, অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়া।
সম্মানসূচক ডক্টর অব হিউমেন লেটার্স, ব্রিজপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য।
সম্মানসূচক ডক্টর অব ল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ইউনেস্কোর ফেলিক্স হোফে বোইনি শান্তি পুরস্কার।
পার্ল এস বাক পদক, ম্যাকন উইমেনস কলেজ, যুক্তরাষ্ট্র।
মাদার তেরেসা পদক।
পল হ্যারিস ফেলো, আন্তর্জাতিক রোটারি ফাউন্ডেশন।
ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার, ১২ জানুয়ারি, ২০১০।
সেরেস পদক, জাতিসংঘ খাদ্য সংস্থা (এফএও)।
মহাত্মা গান্ধী শান্তি পুরস্কার, মহাত্মা গান্ধী ফাউন্ডেশন।
স্বাস্থ্য খাতে যুগান্তকারী অর্জনের জন্য সাউথ-সাউথ পুরস্কার, ২০১১ সাল।
শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে আনায় এমডিজি পুরস্কার, জাতিসংঘ, ২০১০ সাল।
 
(copy from upazila webportal)

Share with :

Facebook Twitter